জি-জিরো হলো একটি নতুন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীর চারটি দেশ হলো ভুটান, পানামা, সুরিনাম ও মাদাগাস্কার। এই দেশগুলোতে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ খুবই কম। কোনো কোনো দেশে কার্বন নিঃসরণ হয় না বললেই চলে। আবার কোনো দেশে সামান্য কার্বন নিঃসরণ হলেও তা শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশগত ব্যবস্থা রয়েছে। এই কারণে এই দেশগুলোকে ‘জি-জিরো’ বলা হয়।
জি-জিরো গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে উৎসাহিত করা। এই গোষ্ঠী প্রমাণ করতে চায় যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষা একই সাথে সম্ভব। ‘জি-জিরো’র মাধ্যমে তারা কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বা শূন্য করে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়।
এই গোষ্ঠী গঠনের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নই জীবনের লক্ষ্য হতে পারে না। মানুষের সুখ এবং সুস্থ পরিবেশও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি অন্যান্য দেশগুলোকে তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
‘জি-জিরো’ একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকে পরিবেশ সুরক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে। এই গোষ্ঠীর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছে যে, পরিবেশের যত্ন নিলে সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব।